বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যেতে কত টাকা লাগে? সম্পূর্ণ খরচের বিস্তারিত তথ্য (২০২৫)
ইউরোপ ভ্রমণ অনেকের স্বপ্ন হলেও উচ্চ খরচের কারণে তা অনেকের কাছে অধরা থেকে যায়। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও কিছু কার্যকর কৌশল অনুসরণ করে আপনি কম খরচে ইউরোপ ভ্রমণ করতে পারেন। এই ব্লগ পোস্টে আমরা কম খরচে ইউরোপ ভ্রমণের বিভিন্ন উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
৩. ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত নিম্নরূপ:
আবেদন ফর্ম পূরণ: প্রতিটি দেশের দূতাবাসের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথি জমা: পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, বিমানের টিকিট বুকিং, হোটেল বুকিং নিশ্চিতকরণ, ভ্রমণ বীমা, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ ইত্যাদি নথি জমা দিতে হবে।
ইন্টারভিউ: কিছু ক্ষেত্রে দূতাবাসে সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত হতে হতে পারে।
৪. ভিসা আবেদন ফি
ভিসা আবেদন ফি দেশের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়। শেনজেন ভিসার জন্য সাধারণত ৮০ ইউরো ফি নির্ধারিত, তবে এটি পরিবর্তিত হতে পারে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করুন।
৫. প্রসেসিং সময়
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার সময় সাধারণত ১৫ দিন থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি দেশের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়। সুতরাং, ভ্রমণের পূর্বে যথেষ্ট সময় নিয়ে আবেদন করা উচিত।
২০২৫ সালে বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে বিভিন্ন সমঝোতা ও চুক্তির মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ও তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. গ্রীসে মৌসুমী কর্মী প্রেরণ
বাংলাদেশ ও গ্রীস সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায়, আগামী পাঁচ বছরে গ্রীসে ১৫,০০০ মৌসুমী কর্মী প্রেরণ করা হবে। প্রতি বছর ৪,০০০ বাংলাদেশি কর্মী গ্রীসে কৃষি, পর্যটন ও তৈরি পোশাক খাতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক কর্মী নয় মাস গ্রীসে কাজ করে তারপর বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।
২. ইতালিতে স্পন্সর ভিসার সুযোগ
ইতালি সরকার ২০২৫ সালে ১,৮১,৪৫০ জন বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে, যেখানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্যও কোটা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি নিয়োগদাতার মাধ্যমে স্পন্সর ভিসা পাওয়া যাবে, যা সরকারি ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত।
৩. রোমানিয়ায় কর্মী প্রেরণ
বাংলাদেশ ও রোমানিয়ার মধ্যে শ্রমিক প্রেরণের বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সরকারিভাবে রোমানিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪. অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে সুযোগ
বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সুযোগ প্রদান করছে। প্রতিটি দেশের নিয়ম ও প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হতে পারে, তাই আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা উচিত।
১. টুরিস্ট ভিসা
পর্তুগাল: পর্তুগালে পর্যটক হিসেবে যেতে টুরিস্ট ভিসার জন্য আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
ক্রোয়েশিয়া: ক্রোয়েশিয়ায় টুরিস্ট ভিসায় ভ্রমণের খরচ আনুমানিক ৩ থেকে ৪.৫ লাখ টাকা হতে পারে।
২. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
পর্তুগাল: উন্নতমানের কাজের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হতে পারে।
ক্রোয়েশিয়া: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়ায় যেতে আনুমানিক ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
৩. স্টুডেন্ট ভিসা
ক্রোয়েশিয়া: ক্রোয়েশিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করতে আনুমানিক ৪ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
৪. সরকারি ব্যবস্থাপনায় ভ্রমণ
সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশে যেতে খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয়। আনুমানিক ১ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে, যা দেশের ভেদে পরিবর্তিত হয়।
প্রশ্ন ১: বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যেতে মোটামুটি কত টাকা খরচ হয়? উত্তর: ইউরোপে যাওয়ার খরচ ভিসার ধরন, গন্তব্য দেশ, এবং ট্রাভেল প্যাকেজের উপর নির্ভর করে। সাধারণত টুরিস্ট ভিসায় ৩-৫ লাখ টাকা, ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ৮-১২ লাখ টাকা, এবং স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ৪-৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
প্রশ্ন ২: সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যেতে খরচ কেমন? উত্তর: সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যেতে খরচ তুলনামূলক কম হয়, যা সাধারণত ১-৩ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে দেশ ও কাজের ধরন অনুযায়ী।
প্রশ্ন ৩: ইউরোপের কোন দেশে কম খরচে যাওয়া যায়? উত্তর: সাধারণত পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে (যেমন: রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড) তুলনামূলক কম খরচে যাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৪: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য কী কী খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে? উত্তর: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন ফি, মেডিকেল পরীক্ষা, ট্রাভেল এজেন্সির চার্জ, বিমানের টিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট প্রসেসিং খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
প্রশ্ন ৫: ইউরোপের জন্য স্টুডেন্ট ভিসার খরচ কত? উত্তর: ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্টুডেন্ট ভিসার খরচ ৪-৬ লাখ টাকা হতে পারে, যার মধ্যে টিউশন ফি, ভিসা ফি, স্বাস্থ্য বীমা এবং ট্রাভেল খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
প্রশ্ন ৬: ইউরোপের জন্য টুরিস্ট ভিসা সহজে পাওয়া যায় কি? উত্তর: হ্যাঁ, তবে আপনার পর্যাপ্ত ব্যাংক ব্যালেন্স, ট্রাভেল হিস্ট্রি, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট থাকতে হবে।
প্রশ্ন ৭: ভিসা আবেদনের সময় ব্যাংক ব্যালেন্স কত থাকতে হবে? উত্তর: টুরিস্ট ভিসার জন্য সাধারণত ৫-১০ লাখ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স থাকা ভালো। ওয়ার্ক পারমিট বা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য এর পরিমাণ বেশি হতে পারে।
প্রশ্ন ৮: ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশিরা বেশি চাকরির সুযোগ পান? উত্তর: জার্মানি, ইতালি, পর্তুগাল, পোল্যান্ড, রোমানিয়া এবং গ্রীসের মতো দেশে বাংলাদেশিদের জন্য ভালো চাকরির সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন ৯: ইউরোপের জন্য ট্রাভেল এজেন্সি থেকে ভিসা করানো নিরাপদ কি? উত্তর: সব ট্রাভেল এজেন্সি বিশ্বস্ত নয়, তাই সরকার অনুমোদিত এজেন্সি থেকে প্রক্রিয়াটি করাই নিরাপদ।
প্রশ্ন ১০: ইউরোপের জন্য মেডিকেল পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কি? উত্তর: ওয়ার্ক পারমিট এবং স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে, তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয় না।
আপনি যদি ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে আপনার বাজেট, নথিপত্র এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখুন। পাশাপাশি প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে সরকারি অনুমোদিত এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের তথ্য যাচাই করুন। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি কম খরচে ইউরোপ ভ্রমণ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।
![]() |
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যেতে কত টাকা লাগে? |
১. সঠিক সময়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা
পিক সিজন, যেমন গ্রীষ্মকাল ও বড়দিনের সময়, ইউরোপ ভ্রমণের খরচ সাধারণত বেশি হয়। অফ-পিক সিজন, যেমন বসন্ত বা শরৎকালে ভ্রমণ করলে বিমান ভাড়া ও হোটেল ভাড়ায় উল্লেখযোগ্য ছাড় পাওয়া যায়। এতে আপনি কম খরচে ইউরোপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
২. লো-কস্ট এয়ারলাইন্স ব্যবহার
ইউরোপে লো-কস্ট এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ভ্রমণ খরচ কমানো সম্ভব। Ryanair, EasyJet, Wizz Air-এর মতো এয়ারলাইন্সগুলি সস্তায় টিকিট প্রদান করে। প্রচারমূলক অফারগুলির দিকে নজর রাখলে আরও সাশ্রয়ী ভ্রমণ সম্ভব।
৩. ট্রেনে ভ্রমণ
ট্রেন ভ্রমণ ইউরোপে সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক। Eurail বা Interrail পাস কিনে একাধিক দেশ ভ্রমণ করা যায়। ট্রেন ভ্রমণের মাধ্যমে ইউরোপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি খরচও কমানো সম্ভব।
৪. সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা
হোটেলের পরিবর্তে হোস্টেল, গেস্টহাউস বা Airbnb-তে থাকা খরচ কমায়। এগুলি সাধারণত সস্তা ও আরামদায়ক। উদাহরণস্বরূপ, আলবেনিয়ায় প্রতিদিনের থাকার খরচ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে।
৫. স্থানীয় খাবার গ্রহণ
পর্যটন কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খাওয়া খরচ কমায়। স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি এটি আপনাকে স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে সাহায্য করবে। উদাহরণস্বরূপ, বুলগেরিয়ায় দৈনিক খাবার খরচ প্রায় ৮০০ টাকা।
৬. পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার
ট্যাক্সির পরিবর্তে বাস, ট্রাম, মেট্রো ব্যবহার করে যাতায়াত খরচ কমানো যায়। অনেক দেশে পর্যটকদের জন্য বিশেষ ট্রাভেলার্স পাস পাওয়া যায়, যা যাতায়াতের পাশাপাশি বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের টিকেটেও ছাড় দেয়।
৭. ফ্রি অ্যাট্রাকশন ও ইভেন্ট উপভোগ
অনেক ইউরোপীয় শহরে ফ্রি ওয়াকিং ট্যুর, মিউজিয়ামের ফ্রি এন্ট্রি ডে এবং অন্যান্য ফ্রি অ্যাট্রাকশন রয়েছে। এগুলি ভ্রমণের খরচ কমাতে সাহায্য করে।
৮. সিটি পাস কার্ড
অনেক শহরে সিটি পাস কার্ড পাওয়া যায়, যা একাধিক আকর্ষণ ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ডিসকাউন্ট দেয়। এটি পর্যটকদের জন্য একটি বড় সুবিধা।
৯. ছোট শহর ও গ্রাম ভ্রমণ
বড় শহরের পরিবর্তে ছোট শহর বা গ্রাম ভ্রমণ করলে খরচ কম হয় এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ভালোভাবে জানা যায়। এছাড়া, এই জায়গাগুলির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও মুগ্ধ করবে।
১০. শপিংয়ে সংযম
স্থানীয় মার্কেট ও সস্তা শপিং স্থানে কেনাকাটা করে খরচ কমানো যায়। পর্যটন কেন্দ্রের দোকানগুলি সাধারণত বেশি দামি হয়।
১১. স্থানীয় কারেন্সি সঙ্গে রাখা
বিদেশ ভ্রমণের সময় ডলার বা ইউরোর পাশাপাশি স্থানীয় কারেন্সি সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এটি এয়ারপোর্টে নেমেই জরুরী কাজগুলো, যেমন: খাবার কেনা, যাতায়াতের ব্যবস্থা করা, সিমকার্ড কেনা – এই কাজগুলো সহজেই সেরে ফেলতে সাহায্য করে।
১২. রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ব্যবহার
ট্যাক্সির পরিবর্তে Uber, Grab-এর মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ব্যবহার করে যাতায়াত খরচ কমানো যায়। প্রতিটি দেশে বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং কোম্পানি রয়েছে, ভ্রমণের আগে সেগুলো সম্পর্কে জেনে মোবাইলে অ্যাপস ডাউনলোড করে রাখা সুবিধাজনক।
১৩. ফ্লিক্সবাস ও গোইউরো অ্যাপস ব্যবহার
ইউরোপে কম খরচে বাস ভ্রমণের জন্য Flixbus এবং GoEuro অ্যাপস ব্যবহার করা যায়। Flixbus ব্যবহার করে ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক গন্তব্যে কম খরচে বাস ভ্রমণ করা যায়। GoEuro ব্যবহার করে বাস, ট্রেন এবং বিমানের টিকেট একসাথে কাটা যায়।
১৪. আগে থেকে বুকিং করা
ভ্রমণের অন্তত ৬ মাস আগে বিমানের ফ্লাইট, হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলো কনফার্ম করলে খরচ কমানো সম্ভব। আগে থেকে
২০২৫ সালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে, যা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য সুবিধাজনক। নিচে এই পরিবর্তনগুলি এবং ভিসা আবেদন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. ঢাকায় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ
২০২৫ সালের ১১ মার্চ থেকে সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে নয়টি শেনজেনভুক্ত দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই দেশগুলি হলো: বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং সুইডেন। এতে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তি সহজতর হয়েছে।
২. পর্তুগাল ও রোমানিয়ার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশি আবেদনকারীরা সরাসরি ঢাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে পর্তুগাল ও রোমানিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগে এই প্রক্রিয়া দিল্লিতে সম্পন্ন করতে হতো, যা এখন ঢাকায় সম্ভব।
পিক সিজন, যেমন গ্রীষ্মকাল ও বড়দিনের সময়, ইউরোপ ভ্রমণের খরচ সাধারণত বেশি হয়। অফ-পিক সিজন, যেমন বসন্ত বা শরৎকালে ভ্রমণ করলে বিমান ভাড়া ও হোটেল ভাড়ায় উল্লেখযোগ্য ছাড় পাওয়া যায়। এতে আপনি কম খরচে ইউরোপের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।
২. লো-কস্ট এয়ারলাইন্স ব্যবহার
ইউরোপে লো-কস্ট এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ভ্রমণ খরচ কমানো সম্ভব। Ryanair, EasyJet, Wizz Air-এর মতো এয়ারলাইন্সগুলি সস্তায় টিকিট প্রদান করে। প্রচারমূলক অফারগুলির দিকে নজর রাখলে আরও সাশ্রয়ী ভ্রমণ সম্ভব।
৩. ট্রেনে ভ্রমণ
ট্রেন ভ্রমণ ইউরোপে সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক। Eurail বা Interrail পাস কিনে একাধিক দেশ ভ্রমণ করা যায়। ট্রেন ভ্রমণের মাধ্যমে ইউরোপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি খরচও কমানো সম্ভব।
৪. সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা
হোটেলের পরিবর্তে হোস্টেল, গেস্টহাউস বা Airbnb-তে থাকা খরচ কমায়। এগুলি সাধারণত সস্তা ও আরামদায়ক। উদাহরণস্বরূপ, আলবেনিয়ায় প্রতিদিনের থাকার খরচ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে।
৫. স্থানীয় খাবার গ্রহণ
পর্যটন কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খাওয়া খরচ কমায়। স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি এটি আপনাকে স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে সাহায্য করবে। উদাহরণস্বরূপ, বুলগেরিয়ায় দৈনিক খাবার খরচ প্রায় ৮০০ টাকা।
৬. পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার
ট্যাক্সির পরিবর্তে বাস, ট্রাম, মেট্রো ব্যবহার করে যাতায়াত খরচ কমানো যায়। অনেক দেশে পর্যটকদের জন্য বিশেষ ট্রাভেলার্স পাস পাওয়া যায়, যা যাতায়াতের পাশাপাশি বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের টিকেটেও ছাড় দেয়।
৭. ফ্রি অ্যাট্রাকশন ও ইভেন্ট উপভোগ
অনেক ইউরোপীয় শহরে ফ্রি ওয়াকিং ট্যুর, মিউজিয়ামের ফ্রি এন্ট্রি ডে এবং অন্যান্য ফ্রি অ্যাট্রাকশন রয়েছে। এগুলি ভ্রমণের খরচ কমাতে সাহায্য করে।
৮. সিটি পাস কার্ড
অনেক শহরে সিটি পাস কার্ড পাওয়া যায়, যা একাধিক আকর্ষণ ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ডিসকাউন্ট দেয়। এটি পর্যটকদের জন্য একটি বড় সুবিধা।
৯. ছোট শহর ও গ্রাম ভ্রমণ
বড় শহরের পরিবর্তে ছোট শহর বা গ্রাম ভ্রমণ করলে খরচ কম হয় এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ভালোভাবে জানা যায়। এছাড়া, এই জায়গাগুলির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও মুগ্ধ করবে।
১০. শপিংয়ে সংযম
স্থানীয় মার্কেট ও সস্তা শপিং স্থানে কেনাকাটা করে খরচ কমানো যায়। পর্যটন কেন্দ্রের দোকানগুলি সাধারণত বেশি দামি হয়।
১১. স্থানীয় কারেন্সি সঙ্গে রাখা
বিদেশ ভ্রমণের সময় ডলার বা ইউরোর পাশাপাশি স্থানীয় কারেন্সি সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এটি এয়ারপোর্টে নেমেই জরুরী কাজগুলো, যেমন: খাবার কেনা, যাতায়াতের ব্যবস্থা করা, সিমকার্ড কেনা – এই কাজগুলো সহজেই সেরে ফেলতে সাহায্য করে।
১২. রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ব্যবহার
ট্যাক্সির পরিবর্তে Uber, Grab-এর মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপস ব্যবহার করে যাতায়াত খরচ কমানো যায়। প্রতিটি দেশে বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং কোম্পানি রয়েছে, ভ্রমণের আগে সেগুলো সম্পর্কে জেনে মোবাইলে অ্যাপস ডাউনলোড করে রাখা সুবিধাজনক।
১৩. ফ্লিক্সবাস ও গোইউরো অ্যাপস ব্যবহার
ইউরোপে কম খরচে বাস ভ্রমণের জন্য Flixbus এবং GoEuro অ্যাপস ব্যবহার করা যায়। Flixbus ব্যবহার করে ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক গন্তব্যে কম খরচে বাস ভ্রমণ করা যায়। GoEuro ব্যবহার করে বাস, ট্রেন এবং বিমানের টিকেট একসাথে কাটা যায়।
১৪. আগে থেকে বুকিং করা
ভ্রমণের অন্তত ৬ মাস আগে বিমানের ফ্লাইট, হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলো কনফার্ম করলে খরচ কমানো সম্ভব। আগে থেকে
ইউরোপ ভিসা আবেদন ২০২৫
২০২৫ সালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে, যা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য সুবিধাজনক। নিচে এই পরিবর্তনগুলি এবং ভিসা আবেদন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. ঢাকায় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ
২০২৫ সালের ১১ মার্চ থেকে সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে নয়টি শেনজেনভুক্ত দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই দেশগুলি হলো: বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং সুইডেন। এতে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তি সহজতর হয়েছে।
২. পর্তুগাল ও রোমানিয়ার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশি আবেদনকারীরা সরাসরি ঢাকায় অবস্থিত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে পর্তুগাল ও রোমানিয়ার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগে এই প্রক্রিয়া দিল্লিতে সম্পন্ন করতে হতো, যা এখন ঢাকায় সম্ভব।
৩. ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত নিম্নরূপ:
আবেদন ফর্ম পূরণ: প্রতিটি দেশের দূতাবাসের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথি জমা: পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, বিমানের টিকিট বুকিং, হোটেল বুকিং নিশ্চিতকরণ, ভ্রমণ বীমা, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ ইত্যাদি নথি জমা দিতে হবে।
ইন্টারভিউ: কিছু ক্ষেত্রে দূতাবাসে সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত হতে হতে পারে।
৪. ভিসা আবেদন ফি
ভিসা আবেদন ফি দেশের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়। শেনজেন ভিসার জন্য সাধারণত ৮০ ইউরো ফি নির্ধারিত, তবে এটি পরিবর্তিত হতে পারে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করুন।
৫. প্রসেসিং সময়
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার সময় সাধারণত ১৫ দিন থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি দেশের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হয়। সুতরাং, ভ্রমণের পূর্বে যথেষ্ট সময় নিয়ে আবেদন করা উচিত।
সরকারি ভাবে ইউরোপ যাওয়ার উপায় ২০২৫
২০২৫ সালে বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে বিভিন্ন সমঝোতা ও চুক্তির মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ও তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. গ্রীসে মৌসুমী কর্মী প্রেরণ
বাংলাদেশ ও গ্রীস সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায়, আগামী পাঁচ বছরে গ্রীসে ১৫,০০০ মৌসুমী কর্মী প্রেরণ করা হবে। প্রতি বছর ৪,০০০ বাংলাদেশি কর্মী গ্রীসে কৃষি, পর্যটন ও তৈরি পোশাক খাতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। প্রত্যেক কর্মী নয় মাস গ্রীসে কাজ করে তারপর বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।
২. ইতালিতে স্পন্সর ভিসার সুযোগ
ইতালি সরকার ২০২৫ সালে ১,৮১,৪৫০ জন বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে, যেখানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্যও কোটা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি নিয়োগদাতার মাধ্যমে স্পন্সর ভিসা পাওয়া যাবে, যা সরকারি ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত।
৩. রোমানিয়ায় কর্মী প্রেরণ
বাংলাদেশ ও রোমানিয়ার মধ্যে শ্রমিক প্রেরণের বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সরকারিভাবে রোমানিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪. অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে সুযোগ
বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সুযোগ প্রদান করছে। প্রতিটি দেশের নিয়ম ও প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হতে পারে, তাই আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা উচিত।
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যেতে কত টাকা লাগে
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে ভ্রমণ বা কাজের উদ্দেশ্যে যেতে খরচ বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমন: ভিসার ধরন, গন্তব্য দেশ, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, এবং আবেদন প্রক্রিয়া। নিচে বিভিন্ন ভিসা ও দেশের ভিত্তিতে আনুমানিক খরচ তুলে ধরা হলো:১. টুরিস্ট ভিসা
পর্তুগাল: পর্তুগালে পর্যটক হিসেবে যেতে টুরিস্ট ভিসার জন্য আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
ক্রোয়েশিয়া: ক্রোয়েশিয়ায় টুরিস্ট ভিসায় ভ্রমণের খরচ আনুমানিক ৩ থেকে ৪.৫ লাখ টাকা হতে পারে।
২. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
পর্তুগাল: উন্নতমানের কাজের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা হতে পারে।
ক্রোয়েশিয়া: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়ায় যেতে আনুমানিক ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
৩. স্টুডেন্ট ভিসা
ক্রোয়েশিয়া: ক্রোয়েশিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করতে আনুমানিক ৪ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
৪. সরকারি ব্যবস্থাপনায় ভ্রমণ
সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিদেশে যেতে খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয়। আনুমানিক ১ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে, যা দেশের ভেদে পরিবর্তিত হয়।
FAQs
প্রশ্ন ১: বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যেতে মোটামুটি কত টাকা খরচ হয়? উত্তর: ইউরোপে যাওয়ার খরচ ভিসার ধরন, গন্তব্য দেশ, এবং ট্রাভেল প্যাকেজের উপর নির্ভর করে। সাধারণত টুরিস্ট ভিসায় ৩-৫ লাখ টাকা, ওয়ার্ক পারমিটের জন্য ৮-১২ লাখ টাকা, এবং স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ৪-৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।
প্রশ্ন ২: সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যেতে খরচ কেমন? উত্তর: সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যেতে খরচ তুলনামূলক কম হয়, যা সাধারণত ১-৩ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে দেশ ও কাজের ধরন অনুযায়ী।
প্রশ্ন ৩: ইউরোপের কোন দেশে কম খরচে যাওয়া যায়? উত্তর: সাধারণত পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে (যেমন: রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড) তুলনামূলক কম খরচে যাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৪: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য কী কী খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে? উত্তর: ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন ফি, মেডিকেল পরীক্ষা, ট্রাভেল এজেন্সির চার্জ, বিমানের টিকেট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট প্রসেসিং খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে।
প্রশ্ন ৫: ইউরোপের জন্য স্টুডেন্ট ভিসার খরচ কত? উত্তর: ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্টুডেন্ট ভিসার খরচ ৪-৬ লাখ টাকা হতে পারে, যার মধ্যে টিউশন ফি, ভিসা ফি, স্বাস্থ্য বীমা এবং ট্রাভেল খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
প্রশ্ন ৬: ইউরোপের জন্য টুরিস্ট ভিসা সহজে পাওয়া যায় কি? উত্তর: হ্যাঁ, তবে আপনার পর্যাপ্ত ব্যাংক ব্যালেন্স, ট্রাভেল হিস্ট্রি, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট থাকতে হবে।
প্রশ্ন ৭: ভিসা আবেদনের সময় ব্যাংক ব্যালেন্স কত থাকতে হবে? উত্তর: টুরিস্ট ভিসার জন্য সাধারণত ৫-১০ লাখ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স থাকা ভালো। ওয়ার্ক পারমিট বা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য এর পরিমাণ বেশি হতে পারে।
প্রশ্ন ৮: ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশিরা বেশি চাকরির সুযোগ পান? উত্তর: জার্মানি, ইতালি, পর্তুগাল, পোল্যান্ড, রোমানিয়া এবং গ্রীসের মতো দেশে বাংলাদেশিদের জন্য ভালো চাকরির সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন ৯: ইউরোপের জন্য ট্রাভেল এজেন্সি থেকে ভিসা করানো নিরাপদ কি? উত্তর: সব ট্রাভেল এজেন্সি বিশ্বস্ত নয়, তাই সরকার অনুমোদিত এজেন্সি থেকে প্রক্রিয়াটি করাই নিরাপদ।
প্রশ্ন ১০: ইউরোপের জন্য মেডিকেল পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কি? উত্তর: ওয়ার্ক পারমিট এবং স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে মেডিকেল পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে, তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয় না।
উপসংহার
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়ার খরচ নির্ভর করে ভিসার ধরন, গন্তব্য দেশ এবং ব্যক্তিগত পরিকল্পনার ওপর। টুরিস্ট, স্টুডেন্ট, ওয়ার্ক পারমিট বা সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইউরোপে যাওয়ার বিভিন্ন উপায় রয়েছে, প্রতিটির খরচ ও শর্ত ভিন্ন। কম খরচে ইউরোপ যাওয়ার জন্য ভালো পরিকল্পনা, সঠিক তথ্য এবং বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।আপনি যদি ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে আপনার বাজেট, নথিপত্র এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখুন। পাশাপাশি প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে সরকারি অনুমোদিত এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের তথ্য যাচাই করুন। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি কম খরচে ইউরোপ ভ্রমণ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।
বাংলাদেশ জেকচেন এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url